name="description "content="this site is about herbal health"/> name="keyword "content="herbal health, herbal medicine, bangla health tips, unani medicine, ayurbadic"/> NATURAL HEALTH TIPS: সুস্থ্য থাকার উপায় সমূহ
Showing posts with label সুস্থ্য থাকার উপায় সমূহ. Show all posts
Showing posts with label সুস্থ্য থাকার উপায় সমূহ. Show all posts

Thursday, June 22, 2017

মাত্র ৭ দিনে অ্যালার্জিকে চিরদিনের জন্য বিদায় করুন।


অ্যালার্জি একটি মারাত্তক সমস্যা । এ সমস্যা থেকে রেহায় পেতে অনেকে কত কি না করে তবুও শেষ হতে চায় না। আজকে আমরা অ্যালার্জি নিয়ে আলোচনা করব। 



কিভাবে নিমপাতা দিয়ে চিরদিনের জন্য অ্যালার্জি কে বিদায় জানাবেন ।

প্রথমে নিম পাতা ভাল করে রোদে শুকিয়ে নিতে হবে তার পর ২০ গ্রাম শুঁকনো নিম পাতা নিন এবং ২ লিটার পানি নিন ।

এবার একটি পাত্রে এই ২ লিটার পানি নিয়ে শুঁকনো নিমপাতা নিয়ে ভাল করে জ্বাল দিয়ে পানি টুকু ফুটিয়ে নিন। এই ফুটানো পানি টুকু এবার হালকা ঠাণ্ডা করে নিন।

ঠাণ্ডা পানি এবার গোসল করার সময় এক বালতি পানিতে নিয়ে এভাবে মাত্র কয়েক দিন গোসল করে নিন দেখবেন একটানা ৭ দিন গোসল করার পর অ্যালার্জি চলে গেছে।

তবে এখানে একটি কথা মনে রাখবেন আপনি যখন এই নিমপাতা ব্যাবহার করবেন তখন আপনি অ্যালার্জি যুক্ত খাবার খাবেন না যেমনঃ গরুর মাংস, চিংড়ি মাছ, বেগুন, পালং শাক, মিষ্টি লাউ, ইত্যাদি।




এইভাবে আপনি আপনার অ্যালার্জিকে আজিবনের জন্য অ্যালার্জিকে বিদায় করতে পারবেন। 

Monday, January 9, 2017

সর্ব রোগের মহা ঔষধ কালিজিরা তেল ব্যাবহার করে দেখুন।

কালিজিরা তেল
                                                        



প্রাচীন কাল থেকেই গাছ-পালার ব্যাবহার অনস্বীকার্য। চিকিৎসা, আসবাবপত্র, জ্বালানী, অস্ত্র, খাদ্যের জোগাড় ইত্যাদি নানা ব্যাবহারে গাছ-পালা অন্যতম ভূমিকা রাখে। আজকাল ফ্যাশনের ক্ষেত্রেও গাছের পাতা-লতা ব্যাবহার করা হয়। সবচেয়ে বেশী উপকারী উপাদানটি হল অক্সিজেন যা আমরা নিশ্বাসের সাথে নিয়ে থাকি আর কার্বন-ডাই অক্সাইড যা প্রশ্বাসের সাথে ত্যাগ করে থাকি এটা আমাদের প্রতি মুহুর্তের ব্যাবহার্য উপাদান। ফলে গাছ না থাকলে আমরা অক্সিজেন কোথায় পেতাম কার্বন-ডাই অক্সাইড কোথায় যেত? যদিও পৃথিবীর ৪ ভাগের ১ ভাগ গাছ-পালা থাকা জরুরী কিন্তু তা নেই। তার পরেও আমাদের চির সবুজ বাংলাদেশে গাছপালার অভাব নাই। আজ আমরা জানব কালিজিরা সম্পর্কে।

কালিজিরা নামে আমরা প্রায় সকলে চিনলেও এর আরো কিছু নাম রয়েছে। কালো কেওড়া, রোমান করিয়েন্ডার বা রোমান ধনে, ফিনেল ফ্লাওয়ার, ফিনেল, হাব্বাটুসউডা, ও কালজ্ঞি ইত্যাদি। এর বৈজ্ঞানীক নাম Nigella Sativa। তো যে নামেই ডাকুননা কেন এই কালিজিরার রয়েছে হাজার হাজার উপকারিতা যা হয়ত আমি বলে শেষ করতে পারব না। মানবদেহের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া নিধন থেকে শুরু করে শরীরের কোষ ও কলার বৃদ্ধিতে এই কালিজিরার জুড়ি নেই। তাহলে আর কথা না বাড়িয়ে চলুন জেনে নেয়া যাক কালিজিরার কি কি সাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে।

কালিজিরার সাস্থ্য উপকারিতাঃ
স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধিতে কালিজিরাঃ
১ চা চামচ কমলার রস/পুঁদিনা পাতার রস/১ কাপ রঙ চায়ের সাথে ১ চা চামচ কালিজিরার তেল মিশিয়ে নিয়মিত দিনে ৩ বার সেবন করবেন। এতে দুশ্চিন্তা দূর হয়। কালি জিরা একধরনের অ্যান্টিবায়োটিক বা অ্যান্টিসেপ্টিক, যা আমাদের মস্তিস্কের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে ও মেধা শক্তিকে বৃদ্ধি করে।
মাথা ব্যাথায় কালিজিরাঃ
যাদের মাথা ব্যাথার সমস্যা রয়েছে তারা ১/২ চামচ কালিজিরার তেল মাথায় ভাল করে লাগাবেন এবং ১ চামচ কালিজিরার তেল মধুর সাথে টানা ২ সপ্তাহ সেবন করবেন মাথা ব্যাথা সেরে যাবে।
সর্দিতে কালিজিরাঃ
১ চা চামচ কালিজিরার তেল সম পরিমাণ মধু অথবা ১ কাপ রঙ চায়ের সাথে মিশিয়ে দিনে ৩ বার সেবন করবেন এবং মাথায় ও ঘাড়ে মালিশ করবেন যত দিন না সর্দি সারে। এছাড়া ১ চা চামচ কালিজিরার তেলের সাথে ৩ চামচ মধু ও ২ চামচ তুলিসী পাতার রস মিশিয়ে পান করবেন এতে জ্বর, সর্দি, কাশি সব সারে। সর্দি বসে গেলে কালিজিরা বেঁটে কপালে প্রলেপ দিন। পাতলা কাপড়ে কালিজিরা বেঁধে শুঁকতে পারেন ১ মিনিটেই কাজ হবে ইনশাল্লাহ।
বাতের ব্যাথায় কালিজিরাঃ
বাতের ব্যাথা হলে ব্যাথার স্থান ভাল করে ধুয়ে খালি হাতে মালিশ করার পর কাঁচা হলুদের রস মধু বা ১ কাপ রঙ চা ও কালিজিরার তেল মিশিয়ে দৈনিক ৩ বার করে ২/৩ সপ্তাহ সেবন করবেন।
চর্মরোগে কালিজিরাঃ
খুস-পাচড়া বা অন্যান্য চর্মরোগ হলে কাঁচা হলুদ মধু বা রঙ চা ও কালিজিরার তেল মিশিয়ে দিনে ৩ বার ২/৩ সপ্তাহ সেবন করবেন।
হৃদরোগে কালিজিরাঃ
যাদের হৃদযন্ত্রে সমস্যা রয়েছে তারা কালিজিরার তেলের সাথে দুধ মিশিয়ে পান করতে পারেন এবং কালিজিরার তেল নিয়মিত বুকে মালিশ করতে পারেন এভাবে ৪/৫ সপ্তাহ ব্যাবহার করলে আরাম পেতে পারেন।
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে কালিজিরাঃ
প্রতিদিন সকালে কালিজিরার তেল সারা গায়ে মালিশ করবেন এবং কাঁচা রদুন চিবিয়ে খাবেন এবং রোদে আধাঘন্টা বসে থাকবেন। এছাড়া উপরোল্লেখিত নিয়মে সেবন করলেও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে।
শ্বাসকস্টে কালিজিরাঃ
হাঁপানী বা শ্বাসকস্টে কালিজিরা ভর্তা খাবেন। ১ কাপ রং চা, কালিজিরার তেল মিশিয়ে দৈনিক ৩ বার সেবন করবেন।
অর্শ্ব রোগে কালিজিরাঃ
১ চামচ মাখন ও তিলের তেল, কালিজিরার তেল খালি পেটে নিয়মিত প্রতিদিন খেলে অর্শ্ব রোগ সেরে যায়।
ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে কালিজিরাঃ
১ চিমটি কালিজিরা ১ গ্লাস পানিতে মিশিয়ে প্রতিদিন খালি পেটে খেলে রক্তে চিনির পরিমাণ কমে যায়।
যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধিতে কালিজিরাঃ
নারী-পুরুষের যৌন সমস্যায় কালিজিরা বেশ উপকারি। প্রতিদিন খাবারের সাথে কালিজিরা খেলে স্পার্ম ঘন হয়। স্পার্ম বৃদ্ধি পায়।
মহিলাদের মাসিকের সমস্যায় কালিজিরাঃ
কাঁচা হলুদের সাথে সম পরিমাণ আতপ চাল ধোয়া পানির সাথে কালিজিরার তেল মিশিয়ে দৈনিক ৩ বার সেবন করলে এধরনের সমস্যা দূর হয়।
মায়ের বুকের দুধ বৃদ্ধিতে কালিজিরাঃ
যেসকল মায়েরা দুগ্ধহীনতায় ভুগছেন তারা প্রতিদিন ৮/১০ গ্রাম কালিজিরা গুড়া করে সেবন করবেন। ২ সপ্তাহের মধ্যে সমস্যা দূর হয়ে যাবে।
তারুণ্য বজায় রাখতে কালিজিরাঃ
কালিজিরায় রয়েছে লিনোলেইক ও লিনোলেনিক নামক প্রয়োজনীয় ফ্যাটি এসিড যা আমাদের ত্বককে রুক্ষতার হাত থেকে রক্ষা করে।
গ্যাস্ট্রিক জনিত সমস্যায়ঃ
১ চামচ কালিজিরার তেলের সাথে মধু মিশিয়ে দিনে ৩ বার করে ২/৩ সপ্তাহ সেবন করলে গ্যাস্ট্রিক জনিত সমস্যা দূর হয়।
জন্ডিস জনিত সমস্যায় কালিজিরাঃ
জন্ডিস বা লিভারের সমস্যায় ১ গ্লাস ত্রিফলার শরবতের সাথে ১ চামচ কালিজিরার তেল মিশিয়ে দিনে ৩ বার ১/১.৫ মাস সেবন করুন আশা করি  সমাধান হবে।
শিশুর দৈহিক ও মানসিক বৃদ্ধিতে কালিজিরাঃ
বাড়ন্ত শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য নিয়মিত কালিজিরা খাওয়ানোর অভ্যাস করুন।
হজম শক্তি বৃদ্ধি করতে কালিজিরাঃ
২ চামচ কালিজিরা বাঁটা পানি দিয়ে দিনে ২ বার টানা খেতে থাকুন ১ মাস পরে হজম শক্তি বেড়ে যাবে।
দাঁতের সমস্যায়ঃ
কুসুম গরম পানিতে কালিজিরা দিয়ে কুলকুচি করলে জিহ্বা, তালু, দাঁতের জীবাণু মরে যায় ও দাঁতের সাস্থ্য ভাল থাকে ও দাঁত ও মাড়ি ব্যাথা হলে ব্যাথা সেরে যায়।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে কালিজিরাঃ
নিয়মিত কালিজিরা খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। সহজে কোন অসুখ হয় না।
কিডনীতে পাথর হলে কালজিরাঃ
২৫০ গ্রাম কালিজিরা গুড়া ও মধু মিশিয়ে গরম পানিতে মিশিয়ে সেবন করুন কিছু দিন পরে সমস্যার সমাধান লক্ষ করতে পারবেন।
চোখ ব্যাথা হলেঃ
চোখে ব্যাথা হলে চোখের উপরিভাগে কালিজিরার তেল মালিশ করে ঘুমাতে যান চোখের ব্যাথা সেরে যাবে।
ডায়রিয়া হলেঃ
ডায়রিয়া হলে স্যালাইনের পাশাপাশি ১ কাপ দই ও কালিজিরার তেল দিনে ২ বার সেবন করুন।
জ্বর হলে কালিজিরাঃ
জ্বর হলে সকাল-বিকাল লেবুর রসের সাথে ১ চামচ কালিজিরার তেল সেবন করুন। জ্বর সেরে যাবে।
আঁচিল হলে কালিজিরাঃ
আঁচিল হলে হেলেঞ্চা দিয়ে আঁচিল ঘসলে আস্তে আস্তে উধাও হয়ে যাবে।

সাস্থ্য সম্পর্কিত আরো তথ্য জানতে এখানে ক্লিক করুন


কালিজিরা তেল

সতর্কতাঃ গর্ভাবস্থায় ও ২ বছরের কম বয়সের বাচ্চাদের ক্ষেত্রে কালিজিরার তেল সেবন করা উচিৎ নয় তবে বাহ্যিক ব্যাবহার করা যাবে।

বিঃদ্রঃ কালিজিরা সম্পর্কে এত কিছু বলার নাই। কারন এই কালিজিরা সম্পর্কে আমাদের নবীজী (সাঃ) বলেছেন...
কালিজিরা মৃত্যু ছাড়া সর্বরোগের মহৌষধ।

Monday, December 26, 2016

তেজ পাতার তেজি গুনাগুন গুলি জেনে নিন।



বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম



 
তেজ পাতা

আমরা এশিয়া উপমহাদেশের মানুষ খুব রসনা বিলাসী। আমরা  মশলা খুব ভালবাসি। আমাদের মহাদেশে মশলার বাণিজ্য শুরু করেছিল লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি নামক এক বণিক। আমরা প্রতিদিনের খাবারের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে মশলা খেয়ে থাকি। এমনই এক মশলার নাম তেজপাতা। তেজপাতা কে না চেনেন? এটি একটি সুগন্ধি মশলা। কাঁচা অবস্থায় তেজপাতার রং গাঢ় সবুজ আর শুকনা পাতার রং বাদামি হয়। তেজপাতা শুধু মশলা হিসেবেই ব্যাবহার হয় না এর অনেক ঔষধি গুণাগুণ রয়েছে। নিম্নে তেজপাতার কিছু ঔষধি গুণাগুণ নিয়ে আলোচনা করা হল।


তেজপাতার কিছু গুণাগুণ ও উপকারিতাঃ


১. যাদের শরীর হালকা গঠনের তাদের জন্য তেজপাতা খুবই উপকারী। তেজপাতা কুচি করে হালকা ছেঁচে  ২৫০ মিলিঃ গরম পানিতে অর্ধেক দিন ভিজিয়ে রেখে ভাল করে ছেঁকে সকাল-বিকাল ১০/১৫ দিন খেলে চেহারার লাবণ্য ফিরে আসে ও শরীরে জোর আসে।

২. অনেক সময় ঘন ঘন পিপাসা পায়। তখন অল্প পরিমাণ পানিতে তেজপাতা সিদ্ধ করে ভাল  করে ছেকে পান করলে পিপাসা মিটে যাবে।

৩. অনেক সময় প্রস্রাব হলদে হয়ে যায়। এক্ষেত্রে তেজপাতা ২৫০ মিলিঃ গরম পানিতে ২/১ ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে ২/৩ ঘণ্টা পর পর পান করলে প্রস্রাব স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

৪. চর্মরোগ হলে চেজপাতা হালহা ছেঁচে ৫০০ মিলিঃ পানিতে সিদ্ধ করে সকাল-বিকাল ১ মাস পান করলে চর্মরোগ ভাল হয়ে যাবে। এছাড়া তুলা ভিজিয়ে চুলকানি, দাদ ইত্যাদি জায়গায় লাগালেও চর্মরোগ সারে।

৫. তেজপাতা পানিতে সিদ্ধ করে সেই পানি দিয়ে গোসল করলেও এলার্জি ভাল হয়।
৬. তেজপাতা বেটে চন্দনের মত গায়ে লাগিয়ে ঘণ্টা খানিক পর গোসল করুন। এতে শরীরের ময়লা পরিষ্কার হয়, গায়ে দুর্গন্ধ থাকলে দূর হয়।

৭. ফোঁড়া হলে তেজপাতা বেটে ২/৩ বার প্রলেপ দিলে ব্যাথা কমে ও ফোঁড়া ভাল হয়।

৮. অনেক সময় সর্দিতে বা অতিরিক্ত জোরে চিৎকার করলে গলা বসে যায়। এক্ষেত্রে তেজপাতা হালকা ছেঁচে ৩/৪ বার খেলে গলা ঠিক হয়ে যায়। অথবা তেজপাতা পেঁচিয়ে বিড়ির মত বানিয়ে এর ধোঁয়া বিড়ির মত টানলে গলা ঠিক হয় এবং হালকা কাশি দূর হয়।

৯. অরুচি কাটাতে তেজপাতা পানিতে সিদ্ধ করে সেই পানি দিয়ে কুলকুচি করলে অরুচি দূর হয়।

স্বাস্থ্য সম্পর্কে আরও জানতে ক্লিক করুন এখানে 
 
তেজ পাতা

বিঃদ্রঃ তেজপাতা মশলা জাতীয় উদ্ভীদ হওয়া সত্ত্বেও এটি ভেষজ গুণে ভরপুর।

ঠাণ্ডা কাশির মহা ঔষধ যষ্টিমধু।

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

  
যষ্টিমধু
আমরা প্রায় সকলেই যষ্টিমধু চিনি। এর ইংরেজী নাম Licorice আবার অনেকেই আছেন যষ্টিমধু চিনেন না। পরীক্ষামুলক ও ক্লিনিক্যালি প্রমাণিত হয়েছে যষ্টিমধুতে বিদ্যমান গ্লাইসিরাইজিন ও গ্লাইসিরাটিক এসিড আলসার সৃষ্টিকারী ১৫ হাইড্রোক্সিপ্রোস্টাগ্লান্ডিন ডিহাইড্রোজিনেস ও প্রোস্টাগ্লাইডিন রিডাকটেজ এনড্রাইমের কার্যকারীতা প্রতিরোধ করে ও পাকস্থলীতে আলসার বা ক্ষত নিরাময়ে সহায়ক এনজাইম প্রোস্টাগ্লান্ডিল ই এবং এফ নিঃসরণ বৃদ্ধির মাধ্যমে পাকস্থলীর মিউকাস মেমব্রেনকে সুরক্ষা করে। ফলে আলসার জনিত সমস্যা থেকে মুক্ত থাকা যায়। এক্ষেত্রে যষ্টিমধু ফুটন্ত পানিতে ভিজিয়ে মধুর সাথে মিশিয়ে পান করুন।

যকৃত বা লিভারের সুরক্ষায় যষ্টিমধুর গ্লাইসিরাইজিন বিষাক্ত পদার্থের আক্রমণ থেকে লিভার বা যকৃতকে সুরক্ষা করে।

টিউমার প্রতিরোধে যষ্টিমধুর গ্লাইসিরাইটিনিক এসিড টিউমার সৃষ্টিকারী “এপষ্টাইন বার” নামক ভাইরাস এর আক্রমণ থেকে সুরক্ষা করে।

কাশি ও ক্বফ জনিত সমস্যায় যষ্টিমধু সেবনে ক্বফ তরল আকারে বের হয়ে যায় এবং কাশি ভাল হয়ে যায়। এছাড়া ব্রংকাইটিস, কন্ঠনালী ও টনসিলাইটিসের সমস্যা সমধান হয়।

এলার্জি জনিত সমস্যায় যষ্টিমধুর গ্লাইসিরাইজিক এসিড মাস্টকোষ হতে হিস্টামিনের নিঃসরণ কমিয়ে এলার্জি বিতাড়িত করে।

যষ্টিমধু অ্যান্টি-বায়োটিক হিসেবেও কাজ করে। যষ্টিমধু নিয়মিত খেলে আমাদের শরীরের ক্ষতিকর ভাইরাসের আক্রমণ ব্যাহত হয়।


স্বাস্থ্য সম্পর্কিত আরো তথ্য জানতে এখানে ক্লিক করুন
 
যষ্টিমধু

বিঃদ্রঃ যষ্টিমধু খুবই গুরুত্বপুর্ণ ঔষধ। নিয়মিত যষ্টিমধু খান দেহকে নির্ভেজাল রাখুন।

মসুর ডালের যত সাস্থ্য উপকারিতা।

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম



মসুর ডাল 


মশুর ডালের সাথেবআমরা সকলেই পরিচিত। এটি সারা পৃথীবি জুড়েই একটা খুবই জনপ্রিয় খাদ্য। ডাল রান্না ছাড়াও মশুর ডাল দিয়ে আরো অনেক রকমের মুখরুচক খাবার তৈরী করা যায়। যেমনঃ- চচ্চড়ি, নিরামিষ, ডালনা, পিঁয়াজু, ডালপুরি, স্যুপ, আম ডাল, পুঁই ডাল ইত্যাদি। মশুর ডালকে মাংসের বিকল্প হিসেবে ধরা যায়। কারণ এতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন রয়েছে। যারা শাকাহারি তাদের জন্য এটি একটি আদর্শ খাবার।

মশুর ডালে রয়েছে খনিজ, খাদ্যশক্তি, ক্যালসিয়াম, আমিষ, আয়রন, শর্করা, ক্যারোটিন, ভিটামিন বি২ রয়ছে। প্রতি ১০০ গ্রাম মশুর ডালে রয়েছে ১২.৪ গ্রাম জলীয় অংশ, ২.১ গ্রাম খনিজ পদার্থ, আঁশ ০.৭ গ্রাম, এনাঈজি ৩৪৩ কিলোক্যালরি, আমিষ ২৫.১ গ্রাম, চর্বি ০.৭ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ৬৯ মিলিগ্রাম, আয়রন ৪.৮ গ্রাম, ক্যারওটিন ২৭০ মসিক্রোগ্রাম, ভিটামিন বি২ ও শর্করা ৫৯ গ্রাম। এই ভিটামিনগুলো আমাদের নানা ধরনের রোগ থেকে মুক্ত করে। তাহলে আসুন জেনে নিই মশুর ডালের স্বাস্থ্য উপকারিতাগুলো।



মশুর ডালের স্বাস্থ্য উপকারিতাঃ


কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করেঃ
মশুর ডালে প্রচুর পরিমানে দ্রবণীয় ফাইবার থাকে যা আমাদের শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা ঠিক তাখতে সহায়তা করে।


হৃদযন্ত্র সচল রাখেঃ
ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার নিয়মিত খেলে হৃদযন্ত্র ভাল থাকে। এছাড়া মশুর ডালে ফলেট ও ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে । যা আমাদের হার্টকে সুস্থ্য রাখে।

হজম শক্তি বৃদ্ধি করেঃ
মশুর ডালে ফাইবার বা আঁশ থাকার কারনে খাদ্য তাড়াতাড়ি হজম হয় এবং কোষ্ঠকাঠিন্য হয় না।


ডায়বেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করেঃ
মশুর ডালে বিদ্যমান ফাইবার রক্তে চিনির পরিমাণ কমিয়ে আমাদেরকে ডায়বেটিস মুক্ত রাখেএছাড়া উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও মশুর ডাল খুবই ভাল কাজ করে।

গর্ভবতী মহিলাদের জন্য মশুর ডালঃ
মশুর ডালে আয়রন ও ফলেট দুটোই রয়েছে। আয়রন দেহের রক্তশূন্যতা দূর করে। ফলে গর্ভবতী মহিলা ও তার গর্ভস্থ শিশু দুজনেই সুস্থ্য থাকে।

অতিরিক্ত ওজন কমাতে মশুর ডালঃ
যাদের বাড়তি ওজনের সমস্যা রয়েছে তারা ভাতের পরিবর্তে মশুর ডাল খেতে পারেন। এতে খুদা হ্রাস পায়।

ত্বকের যত্নে মশুর ডালঃ
ত্বকের বিভিন্ন দাগ দূর করতে, মুখের দাগ দূর করতে, গোপন অঙ্গের দাগ দূর করতে, পিঠের দাগ দূর করতে, কনুইয়ের কাল দাগ, রোদে পোড়া, চেহারার বলিরেখা দূর করতে পায়ের পাতা বা আঙ্গুলে কালচে দাগ হলে। মশুর ডাল বেঁটে দুধ ও মশু মিশিয়ে পেস্ট তৈরী করে মুখে বাঃ দাগের স্থানে লাগাতে হবে। দাগ উঠাতে মশুর ডালের ব্যাবহার খুবই গুরুত্বপুর্ণ।

স্বাস্থ্য সম্পর্কিত আরো তথ্য জানতে এখানে ক্লিক করুন
 
মসুর ডাল
  

বিঃদ্রঃ মশুর ডাল খুবই পুষ্টিগুণ সম্পন্ন খাদ্য। তাই আসুন নিয়মিত মশুর ডাল খাই সুস্বাস্থ্য গড়ে তুলি।

Saturday, December 24, 2016

আসুন জেনে এই ঢেঁড়সের সাস্থ্য উপকারিতা গুলি।



বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম


 
ঢেঁড়স
 

ঢেঁড়সের সাথে আমরা সকলেই পরিচিত। ঢেঁড়সের ইংরেজী নাম Lady’s Fingerঅনেকে মনে করেন ঢেঁড়স খুবই বাজে একটি সবজি। কিন্তু ঢেঁড়সের রয়েছে গুরুত্বপুর্ণ কিছু পুষ্টিগুণ। ঢেঁড়স অন্যান্য সবজির তুলনায় একটু ভিন্ন। ঢেঁড়স রান্না করতেও সময় বেশী লাগে। তাহলে আসুন জেনে নিই ঢেঁড়সের ঐসব পুষ্টিগুণ সম্পর্কে।

ঢেঁড়সের পুষ্টিগুণঃ

চুলের যত্নে ঢেঁড়সঃ
নিয়মিত ঢেঁড়স খেলে মাথায় খুশকি ও উকুন থাকে না, চুলকানি ও স্কাল্পের শুস্কতা দূর করে ও চুলের স্বাস্থ্য ভাল রাখে। কারন ঢেঁড়সে এসব পুষ্টিগুণ রয়েছে।

ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে ঢেঁড়সঃ
নিয়মিত ঢেঁড়স খেলে আমাদের শরীরে গ্লুকোজ ও রক্তে চিনির মাত্রা ঠিক থাকেকারন এই ঢেঁড়সে আছে ফাইবার বা আঁশ ও আরো অন্যান্য প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য উপাদান।

রক্তশুন্যতা রোধ করেঃ
ঢেঁড়সে রয়েছে হিমোগ্লোবিন, আয়রন, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন সি ও ফ্লেভনয়েড যা আমাদের শরীরে রক্ত জমাট বাঁধা রোধ করে, রক্তে প্রয়োজনীয় লাল প্লেত তৈরী করে, দেহের দুর্বলতা দূর করে, রক্তশুন্যতা রোধ করে ও রক্ত ধমনী সুগঠিত হয়।

ওজন কমাতে কাশি সারাতে ঢেঁড়সঃ
ঢেঁড়সে বিদ্যমান ফাইবার বা আঁশ পেট ভরা রাখে ও ভিটামিন গুলো দেহে দীর্ঘক্ষন রাখে ফলে ওজন বাড়ে না। এ কারনে কাশি থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়।

গ্যাস্ট্রিক ও আলসারের সমস্যায় ঢেঁড়সঃ
ঢেঁড়সের Soluble Adhesive উপাদান গ্যাস্ট্রিক ও আলসারের সমস্যা দূর করে। তাই সুস্থ্য থাকতে বেশী করে ঢেড়ঁস খান।

হাড় মজবুত করেঃ
ঢেঁড়সে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন কে রয়েছে। যা আমাদের হাড়কে মজবুত করে ও আস্টিওপরোসিস থেকে হাড়কে রক্ষা করে।

কোলেস্টেরলের মাত্রা ঠিক রাখেঃ
ঢেঁড়সে রয়েছে ফাইবার বা আঁশ ও পেকটিন। যা আমাদের শরীরের ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে।

ক্যান্সার থেকে সুরক্ষায় ঢেঁড়সঃ
ঢেঁড়সে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। যা আমাদের শরীরের ক্যান্সারের কোষগুলোকে ধ্বংস করে। ফলে আমরা ক্যান্সারের ঝুঁকি মুক্ত থাকি।

গর্ভাবস্থায় ঢেঁড়সঃ
ঢেঁড়সে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফলেট। এই উপাদান গর্ভবতী মহিলাদের গর্ভস্থ শিশুদের স্বাস্থ্য ভাল রাখে ও সঠিকভাবে বেড়ে উঠতে সাহায্য করে।

স্বাস্থ্য সম্পর্কিত আরো তথ্য জানতে এখানে ক্লিক করুন
 
ঢেঁড়স
 
বিঃদ্রঃ ঢেঁড়সের আরো বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। তাই আসুন বেশী করে ঢেঁড়স খাই সুস্থ্য সবল থাকি।