name="description "content="this site is about herbal health"/> name="keyword "content="herbal health, herbal medicine, bangla health tips, unani medicine, ayurbadic"/> NATURAL HEALTH TIPS: বিভিন্ন গাছের চিকিৎসা
Showing posts with label বিভিন্ন গাছের চিকিৎসা. Show all posts
Showing posts with label বিভিন্ন গাছের চিকিৎসা. Show all posts

Wednesday, March 1, 2017

যৌন সমস্যার সমাধান করবে তিতবেগুন।


তিতবেগুন গাছ 
তিতবেগুন গাছের ছবিটি তোলেছেন হাদিউল ইসলাম (ফারুক) 


তিতবেগুন একটি অবহেলিত উদ্ভিদ।

এটি বাংলার সব অঞ্চলেই দেখা যায় এর কোন চাষ করা হয় না তবুও এটি সচরাচর পাওয়া যায় সাধারণত এটি রাস্তার ধারে পুকুর পারে জন্মে থাকে।

তিতবেগুনের বৈজ্ঞানিক নাম হচ্চেঃ solanum indicum.

ছোট এই কাঁটাযুক্ত গাছ টির রয়েছে অনেক স্বাস্থ্য গুনাগুন। পাতা হালকা সবুজ। তিতবেগুন গাছ সাধারণত ১-২ মিটার উঁচু হয়। ফুল হালকা বেগুনি ও হালকা হলুদ। তিতবেগুন গাছটির পাতা সহ সমস্তটায় কাটা যুক্ত।

তিতবেগুন গাছের ঔষধি গুনাগুন গুলি নিন্মরুপঃ-

তিতবেগুন গাছের পাতা, বীজ, ফুল, কাণ্ড শিকড় সবই ঔষধি গুনে ভরপুর।

১। হজম শক্তি বাড়াতে তিতবেগুন।

যাদের হজমের সমস্যা রয়েছে তারা এই তিতবেগুন গাছের পাতা সহ সংগ্রহ করে রস করে নিয়মিত খেতে পারলে হজম শক্তি বৃদ্ধি পায় তারাতারি।

২। কৃমি সারাতে তিতবেগুন।

কৃমির সমস্যার করনে যাদের যন্ত্রণা হয় তারা যদি এই তিতবেগুন গাছের পাতা সহ ফুল ডাটা সহ রস করে ৭ দিন খেতে পারেন তারা এই কৃমি থেকে রেহায় পাবেন।

৩। হাঁপানি সারাতে তিতবেগুন।

যাদের হাঁপানি বা শ্বাস কষ্ট রয়েছে তারা এই তিত বেগুন গাছের পাতা ছেঁচে রস করে নিয়মিত খেলে হাঁপানি থেকে মুক্তি মেলে।

৪। যৌন সমস্যায় তিতবেগুন।


যারা যৌন সমস্যায় ভোগে থাকেন তারা এই তিতবেগুন গাছের পাতা শিকড় সহ সংগ্রহ করে রস করে নিয়মিত ২ চামচ করে দিনে ২ বার খেলে যৌন সমস্যা দূর হয়। 

তিতবেগুন গাছ
                  তিতবেগুন গাছের ছবিটি তোলেছেন হাদিউল ইসলাম (ফারুক) 

Tuesday, February 28, 2017

বনজুঁই/ভাট ফুলের সাস্থ্য উপকারিতা জেনে নেওয়া যাক।

 
বন জুঁই 
এই ছবিটি গাজিপুরের পাহাড়ি অঞ্চল থেকে তোলেছেন হাদিউল ইসলাম ( ফারুক) 





বাংলাদেশের সব এলাকাতেই কম বেশী বনজুঁই বা ভাট ফুল দেখা যায়। এই বনজুঁই বা ভাট ফুল 
 সাধারণত অবলীলায় জন্ম গ্রহণ করে এটি অবহেলিত ফুল হলেও এর রয়েছে বেশ কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা।

আজ আমরা জানব বনজুঁই বা ভাট ফুলের স্বাস্থ্য উপকারিতা।

ফুলটির নাম বনজুঁই/ ভাট/ ঘেঁটু ইত্যাদি নামে বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলে ডাকা হয়। এর  (বৈজ্ঞানিক নাম- Clerodendrum viscosum) 

চর্ম রোগে বনজুঁইঃ- 

যাদের বিভিন্ন চর্ম সমস্যা রয়েছে তারা যদি নিয়মিত এই বনজুঁই/ভাট ফুল সংগ্রহ করে এটি রস করে দিনে বার দুই ক্ষত স্থানে মালিশ দিতে পারেন তাহলে আপনার যে কোন চর্ম রোগ দ্রুত সেরে যাবে। এভাবে ১০- ১৫ দিন নিয়মিত ব্যাবহার করলে চর্ম রোগের জন্য ভাল ফল পাওয়া যায়।

পোকামাকড় কামড়ালে বনজুঁই/ভাট ফুলঃ- 

অনেক সময় বিষাক্ত পোকামাকড় কামড় দিনে অনেক ব্যাথা করে এবং ফোলে যায় সে ক্ষেত্রে এই বনজুঁই/ভাট ফুল সংগ্রহ করে ছেঁচে রস করে এই ক্ষত স্থানে মালিশ করলে ফোলা ও ব্যাথা দ্রুত কমে যায়।


এছাড়া এটি কৃমি নাশক ও আরও অন্যান্য রোগেরও কাজ করে। 


বন জুঁই
                                                         এই ছবিটি গাজিপুরের পাহাড়ি অঞ্চল থেকে তোলেছেন হাদিউল ইসলাম ( ফারুক) 

Monday, December 26, 2016

পাথর কুচি গাছের রয়েছে বেশ কয়েকটি ঔষধি গুনা গুন।

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম



 
পাথর কুচি পাতা 
আমাদের জকের আলোচ্য বিষয় পাথরকুচি পাথরকুচি একটি গুল্ম জাতীয় ঔষধি গাছ। পাথরকুচি পাতাকে অনেকে পাঠান বেইদ হিসেবেও চিনে। এর বৈজ্ঞানিক নাম Bryophillum গাছ সর্বোচ্চ .- ফুট লম্বা হয়। পাথরকুচি পাতা অনেক মোটা মসৃণ হয়। আকারে প্রায় ডিমের মত এই পাতার চারপাশে ছোট ছোট খাঁজ থাকে। পাথরকুচি পাতা মাটিতে পুঁতে রাখলে গাছ হয়। ভিজা-স্যাতস্যাতে জায়গায় গাছ তাড়াতাড়ি বাড়ে।


পাথরকুচি পাতার উপকারিতাঃ

সর্দি হলেঃ
সর্দি বসে গেলে বা পুরাতন হয়ে গেলে পাথরকুচি পাতা ছেঁচে রস করে এবং তা গরম করে চা চামচ পরিমাণ সকাল-বিকাল ২বার পান করতে হবে।

রক্তপিত্তেঃ
পিত্ত জনিত ব্যাথায় রক্ত ক্ষরণ হলে সকাল-বিকাল বার পাথরকুচি পাতার রস পান করলে সমস্যা দূর হবে।

মেহঃ
ঠান্ডা-সর্দির কারনে অনেক সময় শরীরে ফোঁড়া হয় এবং ব্যাথা করে। একেই বলে মেহ। এমতাবস্থায় পাথরকুচি পাতার রস চা চামচ করে টানা সপ্তাহ পান করলে মেহ ভাল হবে।

কাটা-ছিড়াঃ
অনেক সময় কেটে গেলে বা চাপ খেয়ে থেঁতলে গেলে টাটকা পাথরকুচি পাতা হালকা তাপে গরম করে কাটা-ছিড়ার স্থানে সেঁক দিলে আরাম পাওয়া যায় তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যায়।

পেট ফাঁপা হলেঃ
পেট ফেঁপে গেলে পেট ফুলে যায়হালকা বায়ু, প্রস্রাব আটকে যায় এক্ষেত্রে  / চামচ পাথরকুচি পাতার  রস অল্প পরিমাণ চিনির সাথে মিশিয়ে গরম করে অল্প পানির সাথে মিশিয়ে রোগীকে পান করাতে হবে। তাহলে এধরনের সমস্যা দূর হবে।

মৃগী রোগ হলেঃ
মৃগী ব্যারাম উঠার সাথে সাথে -১০ ফোটা পাথরকুচি পাতার রস রোগীর মুখে দিলে সাথে সাথে উপকার লক্ষ্য করা যায়।

শিশুদের পেট ব্যাথা হলেঃ
অনেক সময় শিশুদের পেটে ব্যাথা করে। এক্ষেত্রে পাথরকুচি পাতার রস ৩০-৪০ ফোটা হালকা গরম করে শিশুর পেটে মালিশ করলে পেট ব্যাথা ভাল হয়ে যাবে। তবে পেট ব্যাথা কি না তা নিশ্চিত হতে হবে।

কিডনিতে পাথর হলেঃ
তবে পাথরকুচির সবচেয়ে কার্যকরী ঔষধী গুণাগুণ হল কিডনী এবং গলব্লাডারে পাথর হলে - টি পাথরকুচি পাতা রস করে অথবা চিবিয়ে খেলে পাথর আস্তে আস্তে অপসারণ হয়ে যাবে।

জন্ডিস হলেঃ
জন্ডিস বা লিভারের যে কোন সমস্যায় পাথরকুচি পাতার রস খুব উপকারী।

উচ্চ রক্তচাপেঃ
মুত্রথলির সমস্যা এবং উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে পাথরকুচি খুব উপকার করে।

পাইলস হলেঃ
শুধু পাইলস নয় অর্শ্ব-গেজ হলেও পাথরকুচি পাতা খুব উপকারী। এক্ষেত্রে পাথরকুচি পাতার রসের সাথে অল্প পরিমাণ গোল মরিচ মিশিয়ে পান করতে হবে।

ডায়রিয়া, কলেরা বা আমাশয় হলেঃ
এধরনের সমস্যায় মিলিঃ পাথরকুচি পাতার রসের সাথে সমপরিমাণ জিরা এবং গ্রাম ঘি মিশিয়ে একটানা কয়েকদিন খেলে উপকার হবে।

বিষাক্ত পোকায় কামড়ালেঃ
মৌমাছি, ভ্রমরা, বিচ্ছু ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের বিষাক্ত কোন পোকায় কামড়ালে পাথরকুচি পাতার রস  গরম করে কামড়ানো স্থানে সেঁক দিলে ব্যাথা সেরে যাবে।

ত্বকের যত্নেঃ
পাথরকুচি পাতায় প্রচুর পরিমাণে পানি থাকে। ব্রণ ছোট ফোঁড়া হলে পাথরকুচি পাতা বেটে মুখে লাগাতে পারেন। এক্ষেত্রে শুধু ব্রণ নয় ত্বক জ্বালা-পোড়া করলেও পাথরকুচি পাতা বাটা খুব ভাল কাজ করে।

শরীর জ্বালা-পোড়া করলেঃ
অনেক সময় কোন কারন ছাড়াই শরীর জ্বালা-পোড়া করে, অস্বস্থি লাগে। এক্ষেত্রে চামচ পাথরকুচি পাতার রস আধা কাপ হালকা গরম পানিতে মিশিয়ে সকাল-বিকাল বার পান করলে ধরনের সমস্যা দূর হয়।
সাস্থ্য সম্পর্কিত আরও জানতে ক্লিক করুন এখানে

 
পাথর কুচি পাতা 

বিঃদ্রঃ পাথরকুচি পাতা অত্যন্ত উপকারী প্রচুর ঔষধি গুণ সম্পন্ন একটি গাছ। গাছ বেশী বড় হয় না অল্প জায়গাতেই বেড়ে উঠে। তাই আসুন আমাদের প্রত্যেকের বাড়ির আনাচে-কানাচে পাথরকুচি গাছ লাগাই। সুস্থ-সবল শান্তিপুর্ণ জীবিন যাপন করি।